লাভ জিহাদ গল্প - ১ - সন্তবন্ধু মিলন রবিদাস

টপ পোষ্ট

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Sunday, February 4, 2024

লাভ জিহাদ গল্প - ১


 


একটু সময় নিয়ে পুরো গল্পটা পড়বেন।

🙏🙏
আজকে একটা দিদি ফোন দিয়ে বললেন, অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো।
আমি রীতিমতো অবাক!দিদি ধন্যবাদ কেন❓
দিদি যখন পুরো গল্পটা বললেন, তখন আমার চোখ দিয়ে জল পড়ছিল।তবে কষ্টে নয়,আনন্দে চোখে জল এসেছিল।হ্যাঁ, আমার উদ্দেশ্যর পথে একটু একটু করে এগিয়ে যেতে পেরেছি। এটাই তো চেয়েছিলাম।
মেয়েটার বাবা নেই,মায়ের সাথে থাকে। মা চাকরি করেন। সেই সূত্রে মা সারাদিন ব্যস্ত থাকেন।
মেয়ে কখন স্কুলে যাচ্ছে, কার সাথে মিশে,কই যায় এই টুকু খোঁজ রাখার মতো সময় দিদিটার ছিল না।প্রাইভেট চাকরি, একটু বেশি বিজি থাকতে হয়।
মেয়েটি এবছর অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে।মেয়েটার বেশ কয়েকজন মুসলিম বান্ধবী।
তাদের মধ্যে একজন মজার ছলে ভাবি বলে ডাকে।
মেয়েটা এতে কিছু মনে করে না,সে ছোট,, এই বয়সে একটু মজার ছলে নিত।
বান্ধবী হঠাৎ করে একদিন তাকে বলে,,
আমি তোমাকে আমার ভাইয়ের বৌ বানাবো।
তুমি সারাজীবন আমার বান্ধবী হয়ে থাকবে।
কিছুদিন পর আবার বলে, আমি তোমার কথা ভাইয়াকে বলেছি। ভাইয়া তোমাকে অনেক পছন্দ করেছে।এই দেখ,তোমার জন্য কিছু গিফট পাঠিয়েছে।
এই রকম প্রায় প্রতিদিন কিছু না পাঠাতে থাকে।
এরপর শুরু হলো দেখা করা।
এবার প্রশ্ন আমি এতো কিছু কিভাবে জানতে পেরেছি?
বাকীদের মতো ক্লাস শেষে সবাইকে জিজ্ঞেস করি আজকে ক্লাস কি কি হলো?
ওদের সাথে মেশার জন্য আমার ক্লাসের কিছু গল্পও শেয়ার করি।
মেয়েটার প্রতিদিনের গিফট পাওয়ার গল্পটা আমার কাছে একটু আলাদা মনে হলো।
পরের দিন তাকে পারসোনালি এসএমএস করি।
এবং বেশ কিছু সময় এসএমএস করতে থাকি।
চেষ্টা করি টিচার থেকে বান্ধবী হতে।পরের দিন ফোন দেয় আর অবজারভেশন করি।
এরপর প্রেমের বিষয়ে শেয়ার করি। তারপর তার জীবনের ডিটেইলস বলে। আমার সন্দেহ অবশেষে সত্যি হয়।এরপর থেকে স্টুডেন্টের সাথে আরও মিশতে চেষ্টা করি এবং গীতা ক্লাসে প্রতিনিয়ত জয়েন করতে বলি।ধর্মীয় বিষয়ে আমাদের আলোচনা হতে থাকে।
তাকে প্রতিদিন গীতা পড়তে আগ্রহী করি।
পড়ার পর কি বুঝতে পেরেছে সেটা সম্পর্কে জানতে চাই। কিছু লাভ জিহাদের গল্প শেয়ার করি।
আস্তে আস্তে আমি তার বেস্ট বন্ধু হয়ে ওঠেছি।
এখন তার স্কুলে হিন্দু ছাড়া কোনো বান্ধবী নেই।
তার পরিবর্তন সত্যি চোখে পড়ার মতো।
আর এই পুরো বিষয় মেয়েটার মা জানতেন।
দিদিকে প্রথম দিন সব বলি আমার উপর ছেড়ে দেন এবং এটাও বলেছিলাম বকা না দিয়ে ভালোবেসে কিভাবে তাকে ফিরিয়ে আনা যায়।দিদি তার পরিবর্তন ডে বাই ডে আপডেট দিতেন।
দিদি আজ বললেন আমাদের সনাতনীদের নিয়ে কোচিং টা হয়তো আমার মেয়ের মতো অনেক মেয়ের জীবন রক্ষা করতে পারে।
আমার উদ্দেশ্য ছিল এটাই, ওদের সাথে ক্লাসে ধর্মীয় বিষয়ে ফ্রিভাবে আলোচনা করতে পারি।
হিন্দু সন্তানদের মধ্যে একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।
পরিশেষে একটাই রিকুয়েষ্ট চাকরিজীবি বাবা-মা একটু সন্তানেরকে নজরে রাখুন। আজকের সন্তান আগামী দিনের ভবিষ্যত। আজকে ভালোভাবে মানুষ না হলে, সামনের দিনগুলো অনেক খারাপ কিছু অপেক্ষা করতে পারেন।নিজের সন্তানকে সময় দিন।সপ্তাহে একদিন হলেও মন্দিরে নিয়ে যান।

কালেক্টেড
প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাস

150

Like
Comment
Send

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here