নারীর সুমহান মর্যাদা - সন্তবন্ধু মিলন রবিদাস

টপ পোষ্ট

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Thursday, November 16, 2023

নারীর সুমহান মর্যাদা


 সমগ্র ধরনীতে যেমন প্রতিটি বস্তু বা কর্মের পরিপূরক অপর কোন বস্তু বা কর্ম রয়েছে, তেমনি স্বামী ও স্ত্রী একে অপরের পরিপূরক। কেউ কারো দাস বা কেউ কারো অধিপতি নয়। সমাজে যে সকল কুসংস্কার প্রত্যহ আমরা দেখতে পাই, যেগুলো ধর্ম বলিয়া আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়, বাস্তবিক অর্থে এগুলো দৃশ্যমান নয়। আমাদের সমাজে স্বামী ও স্ত্রী র মাঝে যে শ্রেষ্ঠত্বের মানসিকতা লক্ষ্য করা যায় এরও কোন অস্তিত্ব বেদে দৃশ্যতম নয়। বরঞ্চ, স্বামী এবং স্ত্রীকে সমান ও পরিপূরক বলা হয়েছে।

🔸স্বামীর নাম মুখে আনা পাপ, স্বামীই ঈশ্বর এ ধরনের মানসিকতা আমাদের নিজেদের তৈরি। সম্মান উভয়েরই থাকতে হবে উভয়ের প্রতি। সেক্ষেত্রে কেউ শ্রেষ্ঠ নয়। দুজনেই সমান। এ মর্মেই স্ত্রীকে স্বামীর অর্ধাঙ্গী অথবা সহধর্মীনি বলা হয়েছে।
➤অহং কেতুরহং মূর্ধাহমুগ্রা বিবাচনী ।
মমেদনু ত্রুতুং পতিঃ সেহানায়া উপাচরেৎ ।।
🔹পদার্থ :- (অহং কেতুঃ) আমি জ্ঞানবতী (অহৎ
মূর্ধা) আমি শ্রেষ্ঠ (অহং উগ্রা বিবাচনী) আমি
ধৈর্য্য শালিনী বক্তৃতা কারিণী (সেহানায়াঃ) শত্রু
নাশিনী (পতিঃ) স্বামী (মম) আমার (অনু) অনুকূল
থাকিয়া (ত্রুতুং উপাচরেৎ) গৃহ কর্ম সম্পাদন করুন।
ঋগ্বেদ ১০।১৫৯।২।
🔸বঙ্গানুবাদ :-
আমি জ্ঞানবতী, গৃহে মুখ্য
স্থানীয়া ধৈর্য্য শালিনী, বক্তৃতাকারিণী ও
শত্রুনাশিনী। আমার পতি আমার অনুকূলে থাকিয়া
গৃহকর্ম সম্পাদন করুন।
➤মম পুত্রাঃ শত্রুহণোহথোমে দুহিতা বিরাট্।
উতাহমস্মি সঞ্জয়া পতৌ মে শ্লোক উত্তমঃ।।
🔸পদার্থ :- (মম পুত্রাঃ) আমার পুত্রেরা (শত্রুহণঃ)
শত্রুনাশী (মে) আমার (দুহিতা) কন্যা (বিরাট)
তেজস্বিনী (অহম্) আমি (সঞ্জয়া অস্মি) বিজয়া
হই (মে পত্যৌ উত্তমঃ শ্লোকঃ) আমার পতির
উত্তম প্রশংসা হউক।
ঋগ্বেদ ১০।১৫৯।৩ ।
🔹বঙ্গানুবাদ :- আমার পুত্রেরা শত্রু নাশী হউক।
আমার কন্যারা তেজস্বিনী হউক। আমি বিজয়ী
হইব এবং আমার পতির সুযশ হউক।
➤শিবা ভব পুরুষেভ্যো গোভ্যো অশ্বেভ্যঃ
শিবা।
শিবাস্মৌ সর্ব্বস্মৈ ক্ষেত্রায় শিবা ন ইহৈধি।।৩
🔸পদার্থ :- (পুরুষেভ্যঃ গোভ্যঃ অশ্বেভ্যঃ) পুরুষ,
গো ও অশ্বের প্রতি (শিবা ভব) কল্যাণ কারিণী
হও (নঃ) আমাদের জন্য (শিবা হই এধি) কল্যাণ
কারিণী রূপে এখানে এস।
অথর্ব্ববেদ ৩।২৮।৩।
🔹বঙ্গানুবাদ :- পুরুষ, গো ও অশ্বজাতির প্রতি
কল্যাণকারিণী হও, পতিগৃহের জন্য কল্যাণকারিণী
হও, আমাদের জন্য কল্যাণকারিণী রূপে এখানে
এস।
আশাসানা সৌমনাশং প্রজাং সৌভাগ্যং রয়িম্।
পত্যুরনুব্রতা ভূত্বা সং নহ্যস্বামৃতায় কম্।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।১।৪২)
🔸- মনের প্রসন্নতা সন্তান সৌভাগ্য ও ধনের কামনা করিয়া স্ত্রী সর্ব্বদাই পতির অনুকূলে আচরণ করিবে এবং মোক্ষ লাভের অনুকূল সুখ লাভ করিবে
➤পুনঃ পত্নিমগ্নিরদাদায়ুসা সহ বর্চসা।
দীর্ঘায়ু রস্যা যঃ পতির্জীবাতি শরদঃ শতম্।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।২।২)
🔸- তেজস্বী পরমাত্মা পত্নীকে দীর্ঘ আয়ু ও তেজ দান করিয়াছেন। ইহার পতি শতবর্ষ জীবিত থাকুক।
➤সুমঙ্গল প্রতরণী গৃহাণাং সুশেবাপত্যে শ্বশুরায় শংভূঃ।
স্যোনা শ্বশ্যৈ্ব প্র গৃহান্ বিশেমান্।।
(১৪।২।২৬)
🔹- হে বধূ! কল্যাণময়ী, গৃহে শোভাবর্ধন কারিণী, পতি সেবা পরায়ণা শ্বশুরের শান্তিদায়িণী শ্বাশুরীর আনন্দ দায়িনী। গৃহকার্যে নিপুণা হও।
➤ স্যোনা ভব স্বশুরেভ্যঃ স্যোনা পত্যে গৃহেভ্যঃ।
স্যোনাহস্যৈ সর্বস্যৈং বিশে স্যোনা পুষ্টায়ৈষাং ভব।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।২।২৭)
🔹- হে বধু! শ্বশুরদের প্রতি, পতির প্রতি গৃহের প্রতি এবং ঐ সব প্রজাদের প্রতি সুখদায়িনী হয়। ইহাদের পুষ্টির জন্য মঙ্গল দায়িনী হও।
➤ ইয়ং নার্য্যুপ ব্রুতে পূল্যান্যাবন্তিকা।
দীর্ঘায়ু রস্তু মে পতিজীর্বাতি শরদঃ শতম্।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।২।৬৩)
🔸- পতিব্রতা স্ত্রী গৃহে মিলনের বীজ বপন করে ও বলে, আমার পতি দীর্ঘায়ু হউক, শতবর্ষ জীবিত থাকুক।
➤ যথা সিন্ধুর্ণদীনাং সম্রাজ্যং সুষুবে বৃষা।
এবা ত্বং সম্রাজ্ঞ্যেধি পত্যুরস্তং পরেত্য।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।১।৪৩)
🔸- হে বধূ! যেমন বলবান সমুদ্র নদী সমূহের উপর সাম্রাজ্য স্থাপন করিয়াছে তুমিও তেমন পতিগৃহে গিয়া সম্রাজ্ঞী হইয়া থাক।
➤ইহৈব স্তং মা বি যৌষ্টং বিশ্বমায়ুর্বশ্নুতম্।
ক্রীড়ান্তৌ পুত্রৈনর্প্তৃভিমোর্দ­মানৌ স্বস্তকৌ।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।২।২২)
🔹- হে দম্পতি! তোমরা উভয়ে একসঙ্গে থাইকো, পৃথক হইওনা। নিজের গৃহে পুত্র ও পৌত্রদের সঙ্গে খেলিয়া আনন্দ করিয়া পূর্ণ আয়ু ভোগ কর।
➤স্যোনাদ্যোনেরধি বুধ্যমানৌ হসামুদৌ মহসা মোদমানৌ।
সুগূ সুপুত্রৌ সুগৃহৌ তরথেঃ জীবাবুষসো বিভাতীঃ।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।২।৪৩)
🔹- হে দম্পতি! শান্তি পূর্ণ গৃহে জ্ঞান লাভ করিয়া, হাস্য ও অনন্দ কর। সচ্চরিত্র পুত্র লাভ কর এবং শান্তিতে জীবন অতিবাহিত কর।
🔲বিবাহের পরবর্তী জীবনে স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে পরস্পরের পরিপূরক হয়ে সকল সুখ এবং দুঃখ ভাগ করে জীবন অতিবাহিত করবেন। গৃহে শান্তিপূর্ণ ভাবে অবস্থান করে একত্রে মিলে হাসি আনন্দের সাথে সন্তানদের নিয়ে ধর্মচর্চা করবেন।
#বেদ বলেছে-
➤অমোহমস্মতি সা ত্বং সামাহম স্ম্যৃক্ত্বংদ্যৌরহং পৃথিবী ত্বম্।
তাহিব সং ভবাব প্রজামা জনয়াবহ্নৈ।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।২।৭১)
🔸- হে স্বামিন্! আমি যেরূপ জ্ঞানী, তুমিও সেইরূপ জ্ঞানী। আমি সাম মন্ত্র, তুমি ঋগেদ্ব মন্ত্র। আমি দ্যুলোক, তুমি পৃথ্বীলোক। আমরা উভয়ে এই ভাবে মিলিয়া সন্তানোৎপাদন করিব।
➤উত ত্বা শশীয়সী পুংসো ভবতি বস্যসী।
অদেবত্রাদরাধসঃ।।
(ঋগ্বেদ ৫।৬১।৬)
🔹- এ বিষয় সুবিদিত যে বহু পতিব্রতা স্ত্রী শুভকর্ম বর্জ্জিত ও ঈশ্বরোপাসনা রহিত পুরুষ হইতে অধিকতর প্রশংসা ভাজন।
➤ সম্রাজ্ঞ্যেধি শ্বশুরেশু সম্রাজ্ঞ্যুত দেবৃষু।
ননান্দুঃ সম্রাজ্ঞ্যেধি সম্রাজ্ঞ্যুত শ্বশ্র্বাঃ।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।১।৪৪)
🔸- শ্বশুরদের মধ্যে এবং দেবরদের মধ্যে, ননদ ও শ্বাশুরিদের সঙ্গে মিলিয়া সম্রাজ্ঞী হইয়া থাক।
➤সুমঙ্গলী রিয়ং বধূরিমাং সমতে পশ্যত।
সৌভাগ্য মধৌ দত্ত্বা দৌর্ভাগ্যৈর্বিপরেতন।­।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।২।২৮)
🔹- এই বধু মঙ্গলময়ী, সকলে মিলিয়া ইহাকে দেখ, ইহাকে সৌভাগ্য দান করিয়া দৌর্ভাগ্য বিদুরিত কর।
➤ ইহৈব স্তং মা বি যৌষ্টং বিশ্বমায়ুর্বশ্নুতম্।
ক্রীড়ান্তৌ পুত্রৈনর্প্তৃভিমোর্দ­মানৌ স্বস্তকৌ।।
(১৪।২।২২)
🔸- হে দম্পতি! তোমরা উভয়ে একসঙ্গে থাকো, পৃথক হইওনা। নিজের গৃহে পুত্র ও পৌত্রদের সঙ্গে খেলিয়া আনন্দ করিয়া পূর্ণ আয়ু ভোগ কর।
🔲যজ্ঞাদি কর্মকাণ্ড প্রতিটি ঘরে ঘরে প্রত্যহ করা আবশ্যক। স্বামী ও স্ত্রী দুজনে একত্রে বসে এ যজ্ঞকৃৎ কর্ম করবেন। এতে যেমন পরমাত্মার দিকে ধাবিত হওয়া যায় তেমনি পরিবারের সকলের জন্য মঙ্গলকর ও হয়।
#বেদ বলেছে:-
➤যা দম্পতী সমনসা সুনুত আ চ ধাবতঃ।
দেবাসো নিত্যয়াহশিরা।।
(ঋগ্বেদ ৮।৩১।৫)
🔸- হে বিদ্বান্ গণ! যে পত্নী ও পতি একসঙ্গে একমনে যজ্ঞ করে। উপাসনা দ্বারা যাহাদের মন পরমাত্মার দিকে ধাবমান হয় তাহারা নিত্য পরমাত্মার আশ্রয়েই সব কার্য্য করে।
➤প্রতি প্রাশব্যাঁ ইতঃ সম্যঞ্চা বর্হিরাশাতে।
ন তা বাজেষু বায়তঃ।।
(ঋগ্বেদ ৮।৩১।৬)
🔹- যে পত্নী ও পতি একসঙ্গে মিলিয়া যজ্ঞ করে তাহারা উভয়েই নানা ভোগ্য পদার্থ উপভোগ করে এবং অন্নের জন্য ইতস্ততঃ ভ্রমন করে না।
➤পুত্রিণা তা কুমারিণ বিশ্বমায়ুর্র্যশ্নুতঃ­।
উভা হিরণ্য পেশসা।।
(ঋগ্বেদ ৮।৩১।৮)
🔸- একসঙ্গে মিলিয়া যজ্ঞ করিলে পত্নী ও পতির পুত্র পুত্রী, কুমার কুমারী লাভ হয়। তাঁহার পূর্ণ আয়ু ভোগ করেন এবং উভয়ে নিষ্কলঙ্ক চরিত্রের স্বর্ণ ভূষণে দীপ্যমান হন।
🔲বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে প্রত্যেক নর-নারী একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিষ্ঠার সাথে জীবন অতিবাহিত করবে। সংসারে স্বামী ও স্ত্রী দুজনে মিলে প্রতিটি দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নিবে। স্বাভাবিকত, স্বামীই পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্বে থাকেন, তবে তার মানে এনয়, স্ত্রী সবক্ষেত্রে স্বামীর মুখাপেক্ষী হয়ে থাকবে।
#বেদ বলেছে:-
➤ গৃহ্ণামি তে সৌভগত্বায় হস্তং ময়া পত্যা জরদষ্টি র্যথাসঃ।
ভগো অর্য্যমা সবিতা পুরন্ধির্মহ্যং ত্বাদুর্গার্হপত্যায় দেবাঃ।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।১।৫০)
🔸- হে বরাননে! আমি ঐশ্বর্য্য বৃদ্ধির জন্য তোমার পাণি গ্রহণ করিতেছি। আমি পতি- আমার সহিত তুমি বৃদ্ধাবস্থা পর্য্যন্ত সুখে বাস কর। মঙ্গলময়, ন্যায়কারী, জগৎ স্রষ্টা পরমাত্মা এবং বিদ্বানেরা তোমাকে আমার নিকট সমর্পণ করিতেছেন।
➤ ভগস্তে হস্তমগ্রহীং সবিতা হস্তমগ্রহীৎ।
পত্নী ত্বমসি ধর্ন্মণাহং গৃহপতিস্তব।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।১।৫১)
🔹- হে বরাননে! আমি ঐশ্বর্য্যযুক্ত হইয়া তোমার পাণিগ্রহণ করিয়াছি, ধর্ম সাক্ষ্য করিয়া তোমার পাণিগ্রহণ করিতেছি। ধর্ম্মতঃ তুমি আমার পত্নী, আমি তোমার স্বামী।
➤মমেয়মস্ত্ত পোষ্যা মহং ত্বাদাদ্বৃহস্পতিঃ।
ময়া পত্যা প্রজাবতি সংজীব শরদঃ শতম্।।
(অথর্ব্ব বেদ ১৪।১।৫২)
🔸- এই পত্নির আমিই ভরণপোষণ করি। পরমাত্মা তোমাকে আমার হাতে দিয়াছেন। হে সন্তানবতী! আমি তোমার পতি, আমার সহিত শত বর্ষ শান্তিতে জীবিত থাক।
#বৈদিক মাতৃত্ব
💠স্ত্রী থেকে মা হবার দীর্ঘ পথ বেদের আলোয় আলোকিত হোক-
♦ যাসাং দ্যৌঃ পিতা পৃথিবী মাতা সমুদ্রো মূলংবীরুধা বভূব।
তাস্ত্বা পুত্রবিদ্যায় দৈবীঃ প্রাবন্ত্বোষধয়ঃ।।
(অথর্ব্ববেদ ৩।২৩।৬)
➤- হে স্ত্রী! যে ওষধি সমূহের দ্যুলোক পিতা,
পৃথ্বীলোক মাতা এবং সমুদ্রলোক মূল আধার সেই ওষধি সমূহ তোমাকে সন্তান লাভের জন্য দান করিতেছি। দিব্য গুণযুক্ত ওষধি সমূহ তোমাকে রক্ষা করুক।
 রাকামহং সুহবাং সুষ্ঠুতী হুবে শৃণোতু ন সুভগা বোধতু ত্মনা।
সীব্যত্বপঃ সূচ্যাহচ্ছিদ্যমানয়া দদাতু বীরং শতদায় মুক্ থ্যম্।।
(ঋগ্বেদ ২।৩২।৪)
➤- আমি দানশীল আবাহনযোগ্যা স্ত্রীকে স্তুতি দ্বারা আবাহন করিতেছি। সৌভাগ্যবতী স্ত্রী আমার আবাহন শ্রবণ করিয়া আমাকে বিশেষ ভাবে উপলব্ধি করুক। সূক্ষ্ম সূচি দ্বারা সীবন করিবার ন্যায় অতি সাবধানে সে প্রজনন কর্ম সম্পন্ন করুক। সে আমাকে দানবীর বলবান যশস্বী পুত্র দান করুক।
 দশ মাসা ঞ্ছশয়ানঃ কুমারো অধি মাতরি।
নিরৈতু জীবো অক্ষতো জীবো জীবন্ত্যা অধি।।
(ঋগ্বেদ ৫।৭৮।৯)
➤- হে পরমাত্মা! দশমাস পর্য্যন্ত মাতৃগর্ভে সুকুমার জীব সুপ্ত থাকিয়া যেন প্রাণ ধারন করে এবং জীবিতা মাতার গর্ভ হইতে যেন বিনা কষ্টে ভূমিষ্ঠ হয়।
®বাংলাদেশ অগ্নিবীর💖তথ্যসূত্র

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here